ছুটির দিনগুলোর বেতন সংক্রান্ত বিধান
প্রশ্ন
কোনো দ্বীনী প্রতিষ্ঠান বা দ্বীনী বিভাগ যদি তার কর্মচারীকে নিজেদের সংবিধান ও বিধি সম্পর্কে অবহিত না করে কোনো বিধির আওতায় ফেলে ক্ষতিগ্রস্ত করে—যেমন দীর্ঘ ছুটির বেতন আটকে দেওয়া—তাহলে এটা শরয়ী বিধান, নাকি দুনিয়াবি? যদি দুনিয়াবি হয়, তাহলে দ্বীনী প্রতিষ্ঠানে তা প্রয়োগ করা কতটা সঠিক? আর যদি শরয়ী হয়, তাহলে এর ভিত্তি কী? অনুগ্রহ করে গবেষণাসহ বিস্তারিত লিখুন: দ্বীনী প্রতিষ্ঠানে দুনিয়াবি আইন চাপিয়ে দেওয়া কেমন?
উত্তর
দ্বীনী খেদমত—শিক্ষা, পাঠদান, তাবলীগ (দ্বীনের দাওয়াত)—এ মূল কথা হলো, কারও কাছ থেকে কোনো বিনিময় নেওয়া উচিত নয়, বরং বলে দেওয়া উচিত: [ar]لَآ أَسْـَٔلُكُمْ عَلَيْهِ مَالًا ۖ إِنْ أَجْرِىَ إِلَّا عَلَى ٱللَّهِ[/ar] “আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোনো সম্পদ চাই না; আমার প্রতিদান তো কেবল আল্লাহর কাছে” (সূরা হূদ, 11:29)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।