“দাদ”-কে “যাল” ইত্যাদি পড়ার হুকুম
প্রশ্ন
কোনো ইমাম যদি “দাদ”-কে তার মাখরাজ থেকে উচ্চারণ করতে না পারেন, তাহলে তিনি একে কার সদৃশ করে উচ্চারণ করবেন — “যাল” (ذ), “দাল” (د), নাকি “যোয়া” (ظ)? [অনুগ্রহ করে] প্রতিটির জায়েয ও নাজায়েয হওয়ার দলিল দিন: যেমন, “যাল”-এর মতো পড়া যদি নাজায়েয হয়, তাহলে কেন; আর অন্যটির মতো পড়া কেন জায়েয? আর কোন কোন ক্ষেত্রে নামায ফাসিদ (নষ্ট) হবে, কোন কোন ক্ষেত্রে হবে না?
উত্তর
“দাদ” একটি স্বতন্ত্র হরফ, তাই ইচ্ছাকৃতভাবে একে অন্য কোনো হরফের সদৃশ করে পড়া উচিত নয়। সিফাত (বৈশিষ্ট্য)-এর দিক থেকে “যোয়া” (ظ)-এর সাথে এর মিল বেশি। নামায সহীহ হওয়া ও ফাসিদ হওয়া নির্ভর করে অর্থ শুদ্ধ থাকা বা বিকৃত হওয়ার উপর এবং [শুদ্ধভাবে] উচ্চারণ করার সামর্থ্যের উপর।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।