তারাবীহতে নারীর ইমামত
প্রশ্ন
কোনো নারী যদি হাফেযে কুরআন হন, তাহলে পুরুষদের মতো ইমামত করে নারীদের জামাআতে তারাবীহতে খতম করা কি তার জন্য জায়েয, নাকি এতে শরয়ী কোনো আপত্তিকর বিষয় অনিবার্য হয়? যদি কোনো আপত্তিকর বিষয় থাকে, তাহলে “প্রয়োজন নিষিদ্ধ বিষয়কে বৈধ করে” (الضرورات تبيح المحظورات) এবং “ওযর ও প্রয়োজনের সময় মাকরূহ হওয়া রহিত হয়ে যায়” (الكراهية ترتفع عند العذر والحاجة) — এই দুই নীতির আলোকে হিফয বহাল রাখার গুরুত্ব ও প্রয়োজন কি সেই আপত্তির ওপর প্রাধান্য পাবে, নাকি পাবে না?
উত্তর
[ar]وكره جماعة النساء بواحدة منهن (مراقي الفلاح). قوله: وكره جماعة النساء تحريمًا للزوم أحد المحظورين: قيام الإمام في الصف الأول وهو مكروه، أو تقدم الإمام وهو أيضًا مكروه في حقهن[/ar] “নারীদের জামাআত মাকরূহ, [যখন] তাদের একজন [ইমাম হয়]” (মারাকিল ফালাহ)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।