কুরআনে “যমীন” শব্দ বহুবচনে কেন আসেনি
প্রশ্ন
মহিমান্বিত কুরআনে “যমীন” (أرض) শব্দটি বহুবচনে আসেনি — কেবল একবচনেই ব্যবহৃত হয়েছে, অথচ “আসমান” শব্দ বহুবচনে ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন আয়াতুল কুরসীতে: [ar]لَّهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ[/ar] “আসমানসমূহে যা আছে এবং যমীনে যা আছে, সবই তাঁর” (সূরা বাকারা, 2:255)। আসমানের যেমন সাত স্তর আছে, যমীনের কি তেমন স্তর নেই? জানতে চাই, যমীন কি একটিই, যার অংশ সাতটি, নাকি আসমানের মতো সাতটি পৃথক স্বতন্ত্র স্তর?
উত্তর
যমীন যে সাতটি, তা হাদীসে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত, এবং পবিত্র কুরআনেও সূরা তালাকের শেষে [উল্লেখ] আছে: [ar]وَٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَ سَبْعَ سَمَـٰوَٰتٍ وَمِنَ ٱلْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ[/ar] “আল্লাহ তিনিই, যিনি সাত আসমান সৃষ্টি করেছেন এবং যমীন থেকেও তাদের অনুরূপ” (সূরা তালাক, 65:12)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।