সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত—শরীয়তের দৃষ্টিতে
প্রশ্ন
দ্বীনি মাদরাসাগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—যেমন কর্মচারী নিয়োগ ও বরখাস্ত, পদে নিযুক্তি, পদোন্নতি ও পদাবনতি, নির্মাণকাজ, আয়ের উৎস, সম্পত্তি ও শস্য ক্রয় ইত্যাদি এবং আকস্মিক ঘটনা-দুর্ঘটনা নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা ও তা সম্পন্ন করার জন্য “মজলিসে শূরা” নামে কয়েকজন ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি কমিটি থাকে; তাতে সিদ্ধান্ত হয় সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের ভিত্তিতে। যায়েদ বলছে, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি অধার্মিক ও পশ্চিমা পদ্ধতি; এটি আমাদের দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে ইংরেজদের কাছ থেকে এসেছে এবং একে বহিষ্কার করা আবশ্যক।…
উত্তর
দ্বীনি মাদরাসার মজলিসে শূরায় যেসব বিষয় উত্থাপিত হয়, তাতে বিস্তারিত বিভাজন রয়েছে। (1) যেসব বিষয়ে নস (কুরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট বক্তব্য) বিদ্যমান, সেখানে আমলের জন্য নসই নির্ধারিত। (2) যেসব বিষয়ে নস নেই এবং যাতে দুটি দিক রয়েছে—কল্যাণ অর্জন ও ক্ষতি প্রতিহত করা—সেখানে ক্ষতি প্রতিহত করার বিবেচনাই প্রবল থাকে। (3)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।