সম্পদ হারাম হলেও কি কুরবানী ওয়াজিব হবে
প্রশ্ন
প্রশ্ন: কুরবানীর দিনগুলোতে (আইয়ামুন নাহর) কারও মালিকানায় যদি এই পরিমাণ সম্পদ এসে যায়, যাতে কুরবানী ওয়াজিব হয়—যদিও হারাম পথেই—তাহলে কি তার ওপর কুরবানী ওয়াজিব হবে? আর্থিক দায়িত্বসমূহে (ওয়াযায়েফে মালিয়া) হারাম ও হালাল—দুটোর বিধান কি একই?
উত্তর
সম্পদ যদি এমন পথে এসে থাকে যাতে মালিকানাই প্রতিষ্ঠিত হয় না, যেমন চুরি, তাহলে তার ওপর কুরবানী ওয়াজিব হবে না। আর যদি এমন পথে এসে থাকে যাতে মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়, যেমন ফাসিদ (অবৈধ) ক্রয়-বিক্রয়, তাহলে কুরবানী ওয়াজিব হয়ে যাবে। [ar]لأن البيع الفاسد يفيد الملك وإن كان يجب فسخها[/ar] “কারণ ফাসিদ (অবৈধ) বিক্রয় মালিকানা প্রদান করে, যদিও তা বাতিল করা ওয়াজিব।”
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।