হায়েয ও নিফাসগ্রস্ত নারীর বিধান
প্রশ্ন
নারীদের রুকূর মতো ভঙ্গিতে বসে পেশাব-পায়খানা করা; হায়েযগ্রস্ত নারীর নাপাকির অবস্থায় বিছানা থেকে আলাদা থাকা ও রান্না না করা; ছোঁয়াচের ধারণায় যে তাকে স্পর্শ করবে তার ওপরও গোসল জরুরি মনে করা; নাপাকির অবস্থায় তার কাপড়, বাসনপত্র ইত্যাদি ধোয়াকে আবশ্যক বলা এবং না ধুয়ে [ব্যবহার করাকে] বড় গুনাহ বলা—এসবের হুকুম কী? একইভাবে প্রসূতি নারীর (নিফাসগ্রস্ত) ক্ষেত্রেও [এমন আচরণের হুকুম কী?] বরং সে নাপাক থাকা পর্যন্ত তার হাতে রান্না করা খাবারকেও হারাম মনে করার হুকুম কী?
উত্তর
রুকূর মতো ভঙ্গিতে বসে পেশাব-পায়খানা করা মানুষ ছাড়া অন্যান্য প্রাণীর পদ্ধতি, মানুষের পদ্ধতি নয়। হায়েয ও নিফাসগ্রস্ত নারী থেকে এতটা দূরে থাকা, তার রান্না করা খাবার এবং সে যেসব কাপড়, বাসনপত্র ইত্যাদি স্পর্শ করেছে তা থেকে বেঁচে থাকা এবং তার বিছানা আলাদা রাখা—এটা ইহুদীদের রীতি; ইসলাম এ থেকে নিষেধ করেছে। তবে যেসব বিষয় নাজায়েয—সহবাস ইত্যাদি—তা থেকে বেঁচে থাকা জরুরি। [ar]ويمنع…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।