আল্লাহ ছাড়া অন্যকে বিচারক বানানো সম্পর্কে বিস্তারিত
প্রশ্ন
নিম্নোক্ত সম্মানিত আয়াতগুলোর অর্থ ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করুন। (1) [ar]فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِى شَىْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ[/ar] (2) [ar]فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ[/ar] (3) [ar]مَن لَّمْ يَحْكُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ فَأُو۟لَـٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّـٰلِمُونَ[/ar] “আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই জালিম” (সূরা মায়েদা, 5:45)। (4) [ar]إِنِ ٱلْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ[/ar] “বিধান দেওয়ার অধিকার কেবল আল্লাহরই” (সূরা ইউসুফ, 12:40)
উত্তর
(1) এই আয়াতে আছে “ফা-রুদ্দূহু ইলাল্লাহি ওয়ার-রাসূল” (তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও), “ওয়া রাসূলিহী” নয় [যেমন প্রশ্নে লেখা হয়েছে]। পূর্ণ আয়াত এরূপ: [ar]يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُوا۟ ٱلرَّسُولَ وَأُو۟لِى ٱلْأَمْرِ مِنكُمْ ۖ فَإِن تَنَـٰزَعْتُمْ فِى شَىْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।