সম্পর্কজনিত হারামের জন্য একপক্ষের কামনাই যথেষ্ট
প্রশ্ন
খুশহালের সম্পর্কের দিক থেকে এক নারী যায়েদের চাচী হতেন। যায়েদের বয়স তখন 21–22 বছর। যায়েদ ছিল গরিব ও অভাবী। সেই নারী যায়েদকে ডেকে এনে ভালো ভালো খাবার খাওয়াতেন এবং খুব আপ্যায়ন করতেন। তিনি প্রায়ই যায়েদকে জিজ্ঞেস করতেন, “তুমি আমাকে কী মনে করো?” যায়েদ বলত, “আমি আপনাকে আমার মায়ের সমান মনে করি।” তিনি চুপ হয়ে যেতেন। অভ্যাসমতো একদিন তিনি যায়েদকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে খাওয়ালেন এবং জোর করে বললেন, “এখানেই বিশ্রাম নাও।” যায়েদ খেয়ে তাঁর ঘরে ঘুমিয়ে পড়ল। এরপর তিনি ঘরে ঢুকে ভেতর থেকে খিল লাগিয়ে দিলেন, চুপিচুপি…
উত্তর
এই দুষ্টা নারী তাঁর এই নীচ আচরণে নিজের জন্য গুনাহের স্তূপ জমা করেছেন, আর আপনার জীবনকেও বিপর্যস্ত করে দিয়েছেন। যদিও আপনার মোটেও এমন নিয়ত ছিল না, এবং ধরে নিন, যখন তিনি এসে আপনাকে জড়িয়ে ধরলেন, শরীর অনাবৃত করলেন এবং সংগমের পূর্ণ চেষ্টা করলেন, তখন আপনার কামনা জাগেনি এবং আল্লাহ তাআলা আপনাকে হেফাজত করেছেন — কিন্তু তাঁর তো অবশ্যই কামনা ছিল। আর সম্পর্কজনিত হারামের জন্য একজনের…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।