الإفتاء

Enter a topic or fatwa name

হাদীস না ফিকহ—আমলে কোনটি অনুসরণীয়?

প্রশ্ন

প্রশ্ন: আমলের জন্য উপযুক্ত কোনগুলো—সিহাহ সিত্তা: “মুয়াত্তা ইমাম মালিক”, “বুখারী শরীফ”, “মুসলিম শরীফ”, “সুনানে আবু দাউদ”, “সুনানে তিরমিযী”, “সুনানে নাসাঈ”—নাকি “কুদূরী”, “হিদায়া”, “মুনইয়াতুল মুসাল্লী”, “কানযুদ দাকায়েক”, “শরহুল বিকায়া”, “আদ-দুররুল মুখতার”, “ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী”, “মা লা বুদ্দা মিনহু”, “বেহেশতী যেওর” (“জান্নাতী অলংকার”)? এই গ্রন্থগুলোর মধ্যে কোন কোনটি বিশুদ্ধতার বিচারে সহীহ, যেগুলোতে সঠিক সঠিক হাদীস লিপিবদ্ধ আছে? আপনার দারুল ইফতা থেকে “ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী”র কোন কোন মাসআলার ওপর ফতোয়া দেওয়া হয়?

উত্তর

হাদীসের গ্রন্থ—মুয়াত্তা, বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী প্রভৃতি—নির্ভরযোগ্য, কিন্তু এগুলোতে এমন হাদীসও আছে যা মানসূখ (রহিত) হয়ে গেছে, এবং রাজিহ (অগ্রগণ্য), মারজূহ (অগ্রাহ্য) ও মুতাআরিয (পরস্পরবিরোধী) হাদীসও আছে। তাই যে ব্যক্তি [সরাসরি] এসব হাদীসের ওপর আমল করবে, তার মারজূহ বা মানসূখের ওপর আমল করে ফেলার আশঙ্কা আছে। আর ফিকহের গ্রন্থ—কুদূরী প্রভৃতিতে—এমন মাসআলা রয়েছে যা নির্ভরযোগ্য…

সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া

সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।

এই অধ্যায়ে আরও

ভাষাসমূহ: English · Русский · العربية · Bosanski · Türkçe · Deutsch · বাংলা · اردو