“জঙ্গনামা মুহাম্মাদ হানীফ”-এর নির্ভরযোগ্যতা
প্রশ্ন
প্রশ্ন: “জঙ্গনামা মুহাম্মাদ হানীফ” (“মুহাম্মাদ হানীফের যুদ্ধকাহিনী”), “নামায়ে বাবিল” (“বাবিলের কাহিনী”), “জঙ্গনামা হযরত আলী” (“হযরত আলীর যুদ্ধকাহিনী”) ও এ ধরনের গ্রন্থ পড়তে কোনো গুনাহ আছে কি? আর এগুলোতে “দৈত্য বন্দী করা” এবং “পীর-এ আলম” (“জগতের পীর”)-এর যে কাহিনী লেখা আছে, তা সঠিক, না ভুল? এই গ্রন্থগুলো কোন যুগে লেখা হয়েছিল? কারণ যায়েদ কোনো ইতিহাসগ্রন্থে এসব কাহিনী দেখেনি। আপনি এগুলোর সত্যতা ভালোভাবে যাচাই করে যায়েদকে নিশ্চিন্ত করে দিন।
উত্তর
এই তিনটি গ্রন্থই অনির্ভরযোগ্য, এগুলোর কাহিনী মিথ্যা; এগুলো কখনোই পড়া উচিত নয়। দৃশ্যত এই গ্রন্থগুলো রাফেযীদের লেখা।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।