কোন গ্রন্থ অধিক নির্ভরযোগ্য—“রুকনুদ্দীন” না “বেহেশতী যেওর”?
প্রশ্ন
“রুকনুদ্দীন”—মুহাম্মাদ রুকনুদ্দীন নকশবন্দী মুজাদ্দিদী-র রচনা—এবং “বেহেশতী যেওর” (“জান্নাতী অলংকার”)—হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী ﵀-এর রচনা—এই দুই গ্রন্থের মধ্যে কোনটি পবিত্র কুরআন, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নত এবং সাহাবা, তাবেয়ীন ও তাবে-তাবেয়ীনের [আমলের] বিচারে অধিক প্রামাণ্য, অধিক উপযুক্ত, অধিক যুক্তিসম্মত ও অধিক উচ্চমানের—এই দুই গ্রন্থের মধ্যে মতভেদপূর্ণ মাসআলায়? যেমন: লাইলাতুর রাগায়েব, শবে মিরাজ, “হাজারী রোযা” (প্রচলিত রীতির নাম; আক্ষরিক অর্থ “হাজার রোযা”)
উত্তর
“রুকনুদ্দীন” গ্রন্থে এমন বহু মাসআলা আছে, যা পবিত্র কুরআন, হাদীস শরীফ ও সাহাবাদের আছার (বর্ণনা) দ্বারা প্রমাণিত নয় এবং মুজতাহিদ ইমামগণ, বিশেষ করে ইমাম আযম আবু হানীফা ﵀ থেকেও বর্ণিত নয়, বরং তা নিছক বিদআত। তাই সাধারণ মানুষের উচিত এ গ্রন্থ অধ্যয়ন থেকে বিরত থাকা। “বেহেশতী যেওর”-এর মাসআলাসমূহ সঠিক; এটি একটি নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ, এর মাসআলার আরবি উৎস টীকায় উল্লেখ করা হয়েছে। “আখতার…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।