কবরসংক্রান্ত বিদআত: উরস ইত্যাদি
প্রশ্ন
যায়েদ বলে, কবরকে সিজদা করা জায়েয, আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে মানত করা জায়েয, কবরে চড়ানো (কবরে উপহারসামগ্রী চড়ানো) জায়েয, বর্তমান যুগে প্রচলিত রূপে সামা (গান-কাওয়ালী শোনা) জায়েয, পীর-মুরশিদকে সিজদা করা জায়েয। কুরআন, হাদীস ও হানাফী ফিকহের আলোকে এর উত্তর দিন। যদি এসব বিষয় তিনটির আলোকেই নাজায়েয হয়, তাহলে যায়েদ মুসলমান কি না? সে হানাফীদের জামাআতের অন্তর্ভুক্ত কি না? লোকজনের কাছে সে নিজেকে হানাফী বলে পরিচয় দেয়—তার পেছনে নামায জায়েয কি না?
উত্তর
কবরকে সিজদা করা—শুধু অভিবাদনের উদ্দেশ্যে হলে হারাম; আর ইবাদতের নিয়তে হলে শিরক ও কুফর। আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে মানত করা শিরক। কবরে চড়ানো হারাম। পীর-মুরশিদকে অভিবাদনের উদ্দেশ্যে সিজদা করা হারাম, ইবাদতের নিয়তে হলে শিরক ও কুফর। যে ব্যক্তি এসব বিষয়কে জায়েয বলে, তার কাছে জায়েযের দলীল চাওয়া হবে; আর নাজায়েয হওয়া নিম্নোক্ত বক্তব্যসমূহ থেকে প্রমাণিত: [ar]قَالَ صَلَّى اللهُ…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।