“দুরূদে লাখী” (লক্ষবারের দুরূদ) ও অনুরূপ লেখাগুলোর প্রশংসা
প্রশ্ন
“নূরনামা” (আলোর গ্রন্থ), “আহদনামা” (অঙ্গীকারনামা), “দুআ গাঞ্জুল আরশ” (আরশের ভান্ডারের দুআ), “দুরূদে তাজ” (মুকুটের দুরূদ) ও “দুরূদে লাখী” (লক্ষবারের দুরূদ)-এর প্রকৃত ভিত্তি কী? এগুলোর যেসব প্রশংসা করা হয়েছে তা কি সঠিক, নাকি অতিরঞ্জন? দ্বিতীয়ত, এগুলো কি রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে প্রমাণিত, নাকি মানুষ নিজেরাই রচনা করেছে? এগুলো পাঠ করার হুকুম কী?
উত্তর
এগুলোর কোনোটির কোনো সহীহ সনদ প্রমাণিত নয়, আর এ সম্পর্কে যেসব প্রশংসা লেখা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। এগুলোর বদলে কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা, দুরূদ শরীফ, কালেমা ও ইস্তিগফার পাঠ করা উচিত।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।