নবী ﷺ—মানুষও (বাশার), নূরও
প্রশ্ন
পবিত্র কুরআনে নবী ﷺ-এর জন্য “বাশার” (মানুষ) শব্দও ব্যবহৃত হয়েছে, আবার “নূর” (জ্যোতি) শব্দও ব্যবহৃত হয়েছে: [ar]قُلْ إِنَّمَآ أَنَا۠ بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ[/ar] “বলুন, আমি তো কেবল তোমাদের মতো একজন মানুষ” (সূরা কাহফ, 18:110); [ar]قَدْ جَآءَكُم مِّنَ ٱللَّهِ نُورٌ وَكِتَـٰبٌ مُّبِينٌ[/ar] “তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জ্যোতি ও সুস্পষ্ট কিতাব এসেছে” (সূরা মায়িদা, 5:15)। এই দুই আয়াতের অর্থ কী? স্পষ্ট করে লিখুন। যদি আমরা নবী ﷺ-কে শুধু নূর মানি, বাশার না মানি—অথবা বাশার মানি, নূর না মানি—তাহলে কী হবে?
উত্তর
মহান আল্লাহ যখন নবী ﷺ-কে বাশার (মানুষ) সাব্যস্ত করেছেন এবং তাঁর মানুষ হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, তখন তাঁকে বাশার না মানা মহাপরাক্রমশালী (কাহহার) খোদার মোকাবেলা করার শামিল। নবী ﷺ-কে নূর বলা হয়েছে, কিন্তু পবিত্র কুরআনকেও তো নূর বলা হয়েছে; এর অর্থ খোদ পবিত্র কুরআনেই বিদ্যমান: [ar]قَدْ جَآءَكُم مِّنَ ٱللَّهِ نُورٌ وَكِتَـٰبٌ مُّبِينٌ يَهْدِى بِهِ ٱللَّهُ مَنِ…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।