মিথ্যার সম্ভাব্যতা (ইমকানুল কিযব)
প্রশ্ন
মাওলানা রশীদ আহমাদ গাঙ্গুহীর কথা অনুযায়ী—“ফাতাওয়া রশীদিয়্যা”র লেখকের কথা অনুযায়ী—খোদা মিথ্যা বলতে সক্ষম, এটা কি সঠিক? যদি সঠিক হয়, তাহলে খোদা কি মিথ্যা বলেন? যে খোদা মিথ্যা বলার শক্তি রাখেন, তিনি কি মিথ্যা বলেন না? যদি তিনি বলতে পারেন, তাহলে খোদা যখন বলেন: “তোমরা ইবাদত করো, তোমাদের জন্য জান্নাত; আর না করলে জাহান্নাম”—তখন এই উক্তিকে কি দুই দিকের মধ্য থেকে এক দিকে প্রয়োগ করা যায় না? যদি দুই দিক—অর্থাৎ সত্য ও মিথ্যার মধ্য থেকে কোনো এক দিক নেওয়া হয়, তাহলে এক দিকে কি মিথ্যা আসতে পারে না?
উত্তর
কুদরত (ক্ষমতা) সংঘটনকে (সুদূর) আবশ্যক করে না। মিথ্যা সত্তাগতভাবে সম্ভব (মুমকিন বিয-যাত) এবং অন্য কারণে অসম্ভব (মুমতানি বিল-গাইর)। যেহেতু মিথ্যা নিকৃষ্ট (কাবীহ), তাই মহান স্রষ্টার পক্ষ থেকে তা কখনো সংঘটিত হয়নি এবং কখনো হবেও না। যে ব্যক্তি মিথ্যা সংঘটিত হওয়ার কথা বলে, সে কাফের—যেমনটি “ফাতাওয়া রশীদিয়্যা”য় বলা হয়েছে। কিন্তু সংঘটিত না হওয়া থেকে কুদরত অস্বীকার করা আবশ্যক হয়…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।