মসজিদের কিতাব বাড়িতে রেখে অধ্যয়ন করা
প্রশ্ন
একজন মসজিদের ইমাম এমন এক মহল্লায় ইমামতি শুরু করলেন, যে মহল্লার মুসলমানরা শরীয়তবিরোধী কাজে বেশি জড়িত ছিল। মুসলমানদেরকে শরীয়তবিরোধী কাজে দেখে ইমামের মন ব্যথিত হতো, কিন্তু তিনি অসহায় ছিলেন—কীভাবে তাদের সংশোধন করবেন? যখন তিনি তাদেরকে মাসআলা বলতেন, লোকেরা প্রমাণ চাইত, অথচ মুহতারাম ইমামের কাছে এমন কোনো নির্ভরযোগ্য কিতাব ছিল না যা তাদেরকে দেখাতে পারেন। মুহতারাম ইমাম চাঁদা সংগ্রহ করে হযরত শায়খুল হিন্দ ﵀-এর অনূদিত কুরআন কিনলেন এবং “তাফসীরে হাক্কানী”ও কিনলেন। মুহতারাম ইমাম উল্লিখিত কিতাবগুলো বাড়িতে রেখে অধ্যয়ন করে…
উত্তর
তিনি চাঁদাদাতাদেরকে জানিয়ে দেবেন যে, “আমি আপনাদের দেওয়া টাকায় কিতাবগুলো কিনেছি, সেগুলো বাড়িতে রেখে অধ্যয়ন করি।” তাদের কোনো আপত্তি না থাকলে এটুকুই যথেষ্ট। আর যদি তারা ইমামকে টাকার মালিক বানিয়ে দিয়ে থাকে, তাহলে কোনো ধরনের আপত্তিই নেই।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।