জুনুবী ব্যক্তি কূপে নামলে সে ও পানি পাক, নাকি নাপাক?
প্রশ্ন
এক ব্যক্তির স্বপ্নদোষ (ইহতিলাম) হয়েছে। ঘুম থেকে জেগে সে ইস্তিনজা না করেই গোসল করার জন্য কূপে নামল; কূপটি দশ হাত বাই দশ হাত ছিল না। এ অবস্থায় সেই ব্যক্তি পাক (তাহির) হয়েছে কি না? আর কূপের পানি পাক ও পবিত্রকারী (তাহির ও মুতাহহির) থাকবে কি না? আর যদি সেই ব্যক্তি ইস্তিনজা করে ও শরীর থেকে নাজাসাত দূর করার পর জানাবাতের গোসলের জন্য কূপে নামে, তাহলে কূপ এবং উক্ত ব্যক্তির হুকুম কী? অনুগ্রহ করে বিস্তারিত ও দলিলসহ উত্তর দিয়ে আল্লাহর কাছে প্রতিদানপ্রাপ্ত হোন।
উত্তর
যদি সে পানি দিয়ে ইস্তিনজা না করে থাকে, বরং শরীরে প্রকৃত নাজাসাত (নাজাসাতে হাকীকিয়্যা) বিদ্যমান ছিল, তাহলে সে পাক হয়নি এবং সমস্ত পানি নাপাক (নাজিস) হয়ে গেছে; এই পানির কারণে পুরো শরীরও নাজাসাতে লিপ্ত হয়ে গেছে। আর যদি সে পানি দিয়ে ইস্তিনজা করে প্রকৃত নাজাসাত দূর করে নিয়ে থাকে, তাহলে আসাহ্হ (সবচেয়ে সহীহ) মত হলো, সেই ব্যক্তি পাক হয়ে গেছে এবং পানি ব্যবহৃত (মা-উ মুস্তা'মাল)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।