الإفتاء

Enter a topic or fatwa name

জোর করে নামায পড়ানো

প্রশ্ন

কেউ একজনের হাত জোর করে ধরে বলে, “নামাযের সময় হয়ে গেছে, নামায পড়ো!” সে উত্তর দেয়, “আমি মুসলমান, আমি নামাযী, কিন্তু এখন আমার খুব জরুরি কাজ আছে, কারণ আমি চাকর (বেতনভুক্ত কর্মচারী); আমি অন্য মসজিদে পড়ে নেব।” এ কথা বলামাত্র তাকে মারধর করা হয়; সেও নিজেকে বাঁচাতে তাকে মারতে শুরু করে, শেষ পর্যন্ত দুজনের মধ্যে ঝগড়া-মারামারি হয়ে যায়; এই মারামারির পরও সে নামায পড়েনি। এভাবে জবরদস্তি করে নামায পড়ানো এবং এমন চেষ্টা করা শরীয়তে জায়েয কি না?

উত্তর

সৎ কাজের আদেশ এবং নামায প্রভৃতি শরয়ী বিধানের তাবলীগ অত্যন্ত ভালো কাজ, তবে যতদূর সম্ভব নম্রতা ও দয়ার সাথে তাবলীগ করা উচিত। মুখে এমন কোনো কথা বলা উচিত নয়, যাতে শ্রোতা রেগে যায়, উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং কথা কাটাকাটি বা মারামারি পর্যন্ত গড়ায়। কারণ এর ফলে মাঝে মাঝে অপর ব্যক্তি নামায বা নামাযের ফরয হওয়াকেই সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বসে, আবার কখনো মামলা-মোকদ্দমা পর্যন্ত হয়ে যায়।…

সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া

সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।

বিষয়

এই অধ্যায়ে আরও

ভাষাসমূহ: English · Русский · العربية · Bosanski · Türkçe · Deutsch · বাংলা · اردو