তাহাজ্জুদ, ইশরাক ও আউওয়াবীনের রাকাত
প্রশ্ন
(1) সহীহ হাদীসে বলা হয়েছে যে, ইশরাকের দুই রাকাতে হজ্জ ও উমরার মতো সওয়াব [দেওয়া হয়], দুই রাকাতে সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পক্ষ থেকে সদকা আদায় হয়ে যায়, আর দুই রাকাত পড়লে সারা দিনের প্রয়োজনের দায়িত্ব [আল্লাহ] নেন। জানতে চাই, এই সব ফযীলত পেতে প্রতিটির জন্য আলাদা আলাদা দুই রাকাত পড়তে হবে, নাকি শুধু দুই রাকাতই যথেষ্ট? (2) চাশতের নামায কত রাকাত পড়া উচিত — সর্বোচ্চ কত এবং সর্বনিম্ন কত? আর তাহাজ্জুদের রাকাত কত? অনুগ্রহ করে লিখে জানান। (3) আউওয়াবীনের নামায কি চার রাকাত, নাকি তার চেয়ে বেশি?
উত্তর
(1) ইশরাকের নামাযে যদি [এসবের] নিয়ত করে নেয়, তবে এই দুই রাকাতই ইনশা আল্লাহ তাআলা এই সব উদ্দেশ্যের জন্য যথেষ্ট হবে। [ar]لكل امرئ ما نوى[/ar] “প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য তা-ই, যার সে নিয়ত করেছে।” (2) চাশতের নামায চার বা আট রাকাত। তাহাজ্জুদে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আট [রাকাতের] উল্লেখ আছে; তবে কম বা বেশি পড়লেও কোনো অসুবিধা নেই। (3)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।