কুনূতে নাযিলা ও খতমে ইয়াসীনের সীমা কী?
প্রশ্ন
গোধরায় দাঙ্গা শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত কুনূতে নাযিলা পড়া হচ্ছে। ইশার নামাযের পর সূরা ইয়াসীনের খতম হয়, তারপর দোয়া হয়। জানতে চাই: কুনূতে নাযিলা এবং সূরা ইয়াসীনের খতমের কি কোনো সীমা আছে? কতদিন পর্যন্ত তা পড়া হবে? সূরা ইয়াসীনের খতমের প্রমাণ কি কুরআন ও হাদীসে আছে, নাকি নেই?
উত্তর
কুনূতে নাযিলা চিকিৎসার মতো: যতদিন রোগ থাকে, চিকিৎসা চলতে থাকে। আর সূরা ইয়াসীনের ফযীলত হাদীসে বিদ্যমান; বিপদ দূর করতে এটি অত্যন্ত উপকারী ও পরীক্ষিত। দোয়া করার নির্দেশ পবিত্র কুরআনে আছে, আর দোয়াকে “ইবাদতের মগজ (সারবস্তু)” বলা হয়েছে। তবে এই খতম ও সমবেত দোয়াকে স্বতন্ত্র ওয়াজিব বা সুন্নতের মর্যাদা দেওয়া—এমনভাবে যে অংশগ্রহণ না করলে তাকে গুনাহগার সাব্যস্ত করা হবে—ঠিক নয়।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।