কুরআনের “জন্মদিন” পালন
প্রশ্ন
প্রশ্ন: আজকাল সংবাদপত্রে ও রেডিওতে বারবার প্রচার হচ্ছে যে, কুরআন শরীফ নাযিলের চৌদ্দশো বছর পূর্ণ হয়ে পনেরোশো সালের সূচনা উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় খতমে কুরআনের আনুষ্ঠানিকতা করা হচ্ছে। এমনকি কেউ কেউ এই অনুষ্ঠানের জন্য আগামী রমযান পর্যন্ত, আবার কেউ কেউ ঈদুল আযহা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করেছে যে, এর মধ্যে অবশ্যই এটি করে নেওয়া উচিত। আমরা সমগ্র শহরবাসীকে দাওয়াত দিয়ে ডাকব এবং সম্মিলিতভাবে কুরআন তিলাওয়াত করাব। পঞ্চাশটিরও বেশি খতম সম্পন্ন হবে, আর সাধারণ ও বিশিষ্ট সবাই কুরআন নাযিল ও কুরআনের গুরুত্ব সম্পর্কে উলামায়ে…
উত্তর
পবিত্র কুরআন আল্লাহ ﷻ-র বরকতময় কালাম—যাঁর মহিমা অসীম এবং যাঁর দান সর্বব্যাপী। এটি এই উম্মতের জন্য স্থায়ী কর্মবিধান। এর তিলাওয়াতে রয়েছে অতি বড় প্রতিদান ও সওয়াব; এর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখা প্রকৃত ঈমান; এর ওপর আমল করা মুক্তির পরোয়ানা। কুরআন নাযিলের একশো বছর অতিবাহিত হওয়ার পর উম্মতের মহান আকাবির ও সালাফে সালেহীন এ ধরনের কোনো জুবিলি, অনুষ্ঠান বা “জন্মদিন” পালন করেননি; অথচ…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।