আরবী ভাষায় জুমুআর খুতবা
প্রশ্ন
মুসলমানদের অজ্ঞতা এবং দীন সম্পর্কে তাদের উদাসীনতা একটি স্বীকৃত বাস্তবতা। তার ওপর আরও যা ঘটেছে তা হলো, ইসলাম শিক্ষা ও স্মরণ করানোর (তাযকীর) যেসব মাধ্যম নির্ধারণ করেছে, সেগুলোকে মাতৃভাষা থেকে আরও দূরে সরিয়ে একটি অজানা ভাষার মাধ্যমে “দলীল” বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আপনারা যতই অস্বীকার করুন, আমি অবশ্যই বলব যে, উলামায়ে কেরাম সম্মিলিতভাবে ইসলাম ও ইসলামের শিক্ষাকে গোপন রাখার সফল চেষ্টা করেছেন। কুরআন করীম তিলাওয়াত অত্যন্ত জরুরি, কিন্তু বুঝে পড়া আর না বুঝে পড়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য করা হয়নি; তাই দুটোতেই সমান সওয়াব…
উত্তর
এই আপত্তির ভিত্তি দুটি ধারণার ওপর: একটির সম্পর্ক সামগ্রিকভাবে সব উলামার সঙ্গে, অন্যটির বিশেষভাবে মাওলানা আব্দুল হাই ﵀-এর সঙ্গে। দুটি ধারণাই ভুল এবং সংশোধনযোগ্য। প্রথম ধারণা: “উলামায়ে কেরাম সম্মিলিতভাবে ইসলাম ও ইসলামের শিক্ষাকে গোপন রাখার সফল চেষ্টা করেছেন।” এর সংশোধনের পথ এই যে, “ফাতহুল মান্নান”, “মাউযিহুল কুরআন”, “ফাতহুল আযীয”, “তারজুমানুল কুরআন”, “তাফসীরে হুসাইনী”,…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।