মাদরাসায় মেয়েদের শিক্ষা দেওয়া
প্রশ্ন
আমাদের গ্রামে “বাবুল উলূম” নামে একটি মাদরাসা চলছে, যেখানে ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি, ছাত্র কম। এই ছাত্রী ও ছাত্র — উভয়কে কেবল পুরুষ শিক্ষকগণই পড়ান। এই মাদরাসার প্রধান শিক্ষকের বড় ছাত্রদের মধ্যে কেউ কেউ বালেগ, আর কিছু ছাত্রীও বালেগ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে; আবার এমন ছাত্রীও আছে যাদের বয়স কম, কিন্তু অনেককেই পর্দার উপযুক্ত মনে হয়। শিক্ষক সাহেব এই ছাত্রীদের একের পর এক পড়ান, এবং অধিকাংশ সময় একটি বারান্দায় এক সারিতে ছাত্রীদের বসান আর অন্য সারিতে বালেগ ছাত্রদের বসান, আর নাবালেগরাও উপস্থিত থাকে; মোটকথা উভয়ের মধ্যে…
উত্তর
মেয়ে যখন বালেগ হয়ে যায় বা বালেগ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে যায়, তখন তাকে পর্দার ব্যাপারে কঠোরভাবে তাকিদ দেওয়া আবশ্যক, নইলে সে সারা জীবন বেপর্দা থাকবে। দ্বীনী মাদরাসায় কেবল পড়ানোই উদ্দেশ্য নয়, বরং নৈতিক তরবিয়ত এবং আমলের পাবন্দি অনুশীলন করানোও উদ্দেশ্য। বয়ঃপ্রাপ্তির দিকে এগোতে থাকা ছেলে ও মেয়েদের এভাবে বেপর্দা মেলামেশা ফিতনার কারণ হতে পারে, যার অসংখ্য প্রমাণ স্কুল-কলেজে…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।