কীসের মাধ্যমে যিনা প্রমাণিত হয়?
প্রশ্ন
প্রশ্ন: (1) এই দুটি মাসআলার প্রেক্ষিতে উল্লিখিত যামীরকে ইমাম বানানো মাকরূহ কি না? দুই ঈদের নামায, আযান, তাকবীর, জানাযার নামায—এ সবই মাকরূহ কি না? (2) কোন প্রমাণ থাকলে যিনাকারীদের পেছনে নামায জায়েয হয় না? (3) যে ধরনেরই বিষয় হোক, বিষয়টি প্রমাণ ছাড়া হলে শরীয়তের দৃষ্টিতে কি বিবাদীকে কসম করিয়ে, তার হাতে কুরআন দিয়ে বিষয়টির তদন্ত করা হবে? নাকি বিবাদী কসম খেতে বা হাতে কুরআন নিতে অস্বীকার করে বলবে, আমি যদি দোষী হই তাহলে প্রমাণ পেশ করুন, (তখন)
উত্তর
(1) শুধু কোনো নারীর কথায় যামীরকে যিনাকারী ও অপরাধী বলা ঠিক নয়; তার আযান, ইমামত, জানাযার নামায ইত্যাদি সবই জায়েয। (2) যিনার সাক্ষী উপস্থিত থাকলে অথবা সে নিজে যিনার স্বীকারোক্তি করলে তখন তার ইমামত মাকরূহ হবে, যতক্ষণ না সে সত্য তওবা করে নেয়। (3)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।