কাক খাওয়া: মাওলানা রশীদ আহমাদ গাঙ্গুহীর ফতোয়ার দলিল
প্রশ্ন
প্রশ্ন: কাক খাওয়ার হুকুম কী? কুতুবুল আলম হযরত মাওলানা রশীদ আহমাদ গাঙ্গুহী ﵀ যে কাক সম্পর্কে লিখেছেন যে তা হালাল, সেটি কি আমাদের এখানে যে কাক পাওয়া যায় সেটিই? বিদআতী ও অনিষ্টকামী আলেমরা কাদা ছোঁড়ে এই বলে যে, কাককে হালাল বলা কেবল মাওলানা রশীদ আহমাদের নতুন উদ্ভাবন, শরীয়তে কাক খাওয়া হারাম; এ কথা কতটা সঠিক? ভারতের মহান মুহাদ্দিস মাওলানা রশীদ আহমাদ গাঙ্গুহী ﵋-এর ফতোয়া কোন দলিলের ওপর প্রতিষ্ঠিত? অনুগ্রহ করে বিস্তারিত ও দলিলসহ উত্তর দিন। আরবি ইবারতগুলোর অনুবাদও অবশ্যই লিখবেন।
উত্তর
সম্মানিত ফকীহগণ লিখেছেন, কাক কয়েক প্রকার। এক প্রকার হলো সেই কাক, যার খাদ্য শুধু নোংরা ও মৃত প্রাণী। দ্বিতীয় প্রকার সেই কাক, যার খাদ্য শুধু দানা ও শস্য; নোংরা ও মৃত প্রাণী সে মোটেই খায় না। তৃতীয় প্রকার সেই কাক, যে দুটিই খায়—নোংরা ও মৃত প্রাণীও খায়, দানা ও শস্যও খায়। প্রথম প্রকার নিষিদ্ধ। দ্বিতীয় প্রকার হালাল; এই দুটির হুকুমে কোনো মতভেদ নেই। তৃতীয় প্রকার ইমামে আযম ﵀-এর…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।