দেওবন্দের আলেমগণ সম্পর্কে ফতোয়া
প্রশ্ন
একজন লোক বলে, মৌলভী হাশমত আলী হানাফী মাযহাবের অনেক বড় আলেম ও মুফতী, এবং কারও আকীদা যদি এমন হয় (একজন দেওবন্দী আকীদার লোকের দিকে ইশারা করে), তবে সে কাফির, আর যারাই এমন আকীদা পোষণ করে তারা সবাই কাফির। জানতে চাই, প্রকৃতপক্ষে কি দেওবন্দী আকীদার সবাই কাফির (নাউযুবিল্লাহ)? আর এই হাশমত আলী কে? এর কারণে ফিতনা ও ফাসাদের আশঙ্কা আছে।
উত্তর
দেওবন্দে দারুল উলূম নামে একটি মাদরাসা আছে, যা আল্লাহওয়ালা বুযুর্গ আরিফীন (আল্লাহর পরিচয়প্রাপ্তগণ) ও আহলে ইলমগণ প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেখানে পবিত্র কুরআন, হাদীস শরীফ, তাফসীর, ফিকহ প্রভৃতি দ্বীনী ইলমের শিক্ষা দেওয়া হয়; এর বয়স একশো বছরেরও বেশি হয়ে গেছে। এখান থেকে পড়ে অসংখ্য আলেম সারা দুনিয়ায় দ্বীনের খেদমত আঞ্জাম দিচ্ছেন। এখানে বড় বড় সাহাবী ﵃, তাবেয়ী ﵏ ও মুজতাহিদ ইমামগণ…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।