আমানতের ক্ষতিপূরণ
প্রশ্ন
একজন লোক কর্মচারী হিসেবে—ম্যানেজার-সহকারী (আদায়কারী) পদে—কাজ করত। তার হেফাযতে থাকা কিছু টাকা চুরি হয়ে গেল। মালিক কর্মচারীকে দিয়ে শপথ করালেন এবং তাকে এভাবে বলতে বললেন: “আমি যদি তোমার টাকা নিজের কাজে লাগিয়ে থাকি, বা কাউকে দিয়ে থাকি, বা ভবিষ্যতের খরচের জন্য নিজের কাছে কিংবা অন্য কারও কাছে রেখে থাকি, তবে আমি অন্ধ হয়ে যাই, ভিক্ষা করে বেড়াই, আমার ঈমান নসীব না হোক।” এমন শপথ নেওয়ার পর মালিকের জন্য কি কর্মচারীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা জায়েয, অর্থাৎ হারিয়ে যাওয়া টাকা না নেওয়া?
উত্তর
যদি সেই টাকা কর্মচারীর কাছে আমানত হিসেবে থাকে এবং যথেষ্ট হেফাযত সত্ত্বেও চুরি হয়ে যায়, তাহলে কর্মচারীর ওপর ক্ষতিপূরণ (যমান) নেই। আর যদি কর্মচারীর অমনোযোগিতা ও অবহেলার কারণে এমন হয়ে থাকে, তাহলে কর্মচারীর ওপর ক্ষতিপূরণ আবশ্যক। [ar]الإيداع هو تسليط الغير على حفظ ماله، والوديعة ما يترك عند الأمين، وهي أمانة فلا تضمن بالهلاك.[/ar] “ঈদা‘ (আমানত রাখা)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।