নির্ধারিত মূল্য পরিশোধে বিলম্বের কারণে বাড়তি আদায়
প্রশ্ন
প্রশ্ন: যায়েদ বকরকে এক মণ (মণ — প্রায় 37 কেজি ওজনের পরিমাপ) ধান দিল এবং বকরের সঙ্গে শর্ত করল, “পৌষ মাসে (পৌষ — ভারতীয় পঞ্জিকার মাস, ডিসেম্বর–জানুয়ারি) আমি তোমার কাছ থেকে দেড় টাকা নেব।” কিন্তু গরিব বকর তখন টাকা পরিশোধ করতে পারল না; ধান দেওয়া তার জন্য সহজ। যদি যায়েদ এই নির্ধারিত দরের বিনিময়ে তখনকার বাজারদর অনুযায়ী ধান নেয়, তবে এই দরের বিপরীতে ধান নেওয়া কি বাই সালাম অনুযায়ী হবে, নাকি হবে না? অথবা অন্য কোনোভাবে শরীয়তের দৃষ্টিতে জায়েয হবে কি না? বর্ণনা করুন, প্রতিদান পাবেন।
উত্তর
এটি বাই সালাম নয়, কারণ বাই সালামের জন্য জরুরি যে, ক্রেতা আগে মূল্য দেবে এবং মুসলাম ফীহি (সালামের পণ্য)-র গুণাগুণ নির্ধারণ করে নির্ধারিত সময়ে সেই পণ্য বুঝে নেবে। এখানে তা হয়নি; বরং এক মণ ধান দেড় টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে এবং দেড় টাকা পরিশোধের সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এখন মূল কথা হলো, যায়েদ বকরের কাছ থেকে নিজের দেড় টাকা আদায় করে নেবে। বকরের কাছে দেড় টাকা…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।