পাখিযুক্ত ঘড়ি বিক্রি
প্রশ্ন
প্রশ্নকারী পূর্ববর্তী উত্তর নং 197-এর উল্লেখ করে লিখেছেন যে তিনি তা বুঝতে পারেননি, এবং সেটির উপর ভিত্তি করে আরও কয়েকটি প্রশ্ন সাজিয়ে তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন। (1) এমন ঘড়ি তৈরি করা, বিক্রি করা এবং ব্যবহার করা—সবকিছুর হুকুম কি একই, নাকি পার্থক্য আছে? (2) সবকিছুর হুকুম একই হলে, যে “কুৎসিত ও নিন্দনীয়” (কবীহ ও মাযমূম) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, তা কি মাকরূহের স্তরের, নাকি সুনিশ্চিত হারামের? অনুগ্রহ করে একটু স্পষ্ট করে লিখুন।
উত্তর
পূর্ববর্তী উত্তরে প্রাণীর ছবি হওয়ার কারণে ছবি তৈরি করাকে নাজায়েয লেখা হয়েছে, যার অর্থ হারাম; আর ব্যবহারকে কুৎসিত ও নিন্দনীয় লেখা হয়েছে, যার অর্থ মাকরূহ। ব্যবহার—চাই বিক্রির আকারে হোক, চাই নিজের কাছে রাখার আকারে—মালে মুতাকাওয়্যিম (মূল্যবান সম্পদ) হওয়ার কারণে বিক্রয়কে বাতিল বলা হবে না; বরং বিক্রয় সহীহ হবে, অর্থাৎ বিনিময়-দ্বয়ের (পণ্য ও মূল্যের)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।