দ্বীনি মাদরাসায় সরকারি সাহায্যের প্রভাব
প্রশ্ন
মগহর শহরে 1914 সাল থেকে “মাদারিসে মাযহাবী তা'লীম” (ধর্মীয় শিক্ষার মাদরাসা) চালু আছে, যা ডিস্ট্রিক্ট বোর্ড (জেলা পরিষদ) থেকে মাসিক সাহায্য পায়। সেখানে প্রতিদিন সকালের প্রথম প্রহরে দেড় ঘণ্টা কুরআন শরীফের শিক্ষা হয়, আর বাকি দিনগুলোতে (সোমবার, বৃহস্পতিবার) কালিমা, দুআ কুনূত, আয়াতুল কুরসী ও জানাযার দুআ শেখানো হয়। বাকি সময়ে উর্দু পড়ানো হয়। দ্বিতীয়টি মাদরাসা আরাবিয়া, যা শাহী জামে মসজিদে চলছে; এটি শুধু নামেই “মাদরাসা আরাবিয়া”, এতে আরবী, ফার্সি, উর্দু, হিন্দি সবকিছুরই শিক্ষা হয়। কিন্তু এই মাদরাসা বোর্ড থেকে…
উত্তর
মক্তবে আগে শুধু কুরআন শরীফ ও দ্বীনি মাসআলার শিক্ষা হতো; সেটা ছিল খাঁটি দ্বীনি মাদরাসা। এরপর সেখান থেকে ফারেগ হওয়া শিশুরা আরবী-ফার্সি পড়ার জন্য মাদরাসায় যেত; সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু হিসাবও শেখানো হতো। সেটাও ছিল খাঁটি দ্বীনি মাদরাসা। এরপর বোর্ডের সাহায্যের লোভ দেখানো হলো। মুসলমানরা দারিদ্র্য ও সরলতার কারণে সাহায্য নিতে শুরু করল, যার ফলে তত্ত্বাবধান ও পরীক্ষার ধারা শুরু…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।