রমযান মাসে রাতে মসজিদের মাইকে কবিতা প্রভৃতি পড়া
প্রশ্ন
গ্রামে কয়েক বছর ধরে রমযান শরীফের রাতে মসজিদের লাউডস্পিকারে গান গাওয়া শুরু করে দেয়; কখনো বক্তৃতা করে, কখনো কবিতা পড়ে, সময়ের ঘোষণা দেয়। সে সময় ঘরে অনেক মানুষ তাহাজ্জুদ পড়ে এবং কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করে; তাদের নামায ও কুরআন তিলাওয়াতে যথেষ্ট ব্যাঘাত ঘটে। শরীয়তের হুকুম কী?
উত্তর
ঘোষণা দেওয়ায় নামায ও তিলাওয়াতে ব্যাঘাত হয়। কিন্তু ঘোষণাকারীরাও নিজেদের ঘোষণাকে তাহাজ্জুদ ও তিলাওয়াতের চেয়ে কম মনে করে না, বরং বেশিই মনে করে এবং বলে যে আপনাদের তাহাজ্জুদ একা একা তাহাজ্জুদ, আর আমাদের ঘোষণার বদৌলতে বস্তির সবাই জাগে, অনেকে তাহাজ্জুদ প্রভৃতি পড়ে এবং সাহরীর খবর সবাই পেয়ে যায়, যার ফলে সবার রোযা সুন্নত অনুযায়ী ও সহজ হয়ে যায়। ঘোষণাকারীরা মানে না, নিজেদের…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।