শহরে ঈদের নামাযের আগে কুরবানী
প্রশ্ন
যবেহখানা ধামপুরে অবস্থিত। এই ধামপুর স্বতন্ত্র পঞ্চায়েতি মর্যাদার কারণে গ্রামের হুকুমে পড়ে, তাই শরীয়তের অনুমতি অনুযায়ী এখানে ফজরের নামাযের পরই কুরবানী হয়। কিন্তু বড় মহিষ ইত্যাদি ধামপুরের দিকেই যায়—যবেহখানা এখানেই; পুরোনো ধামপুরে বর্তমান সরকারের অনুমতি নেই, সেখানে বড় পশুর কুরবানী করা আইনত অপরাধ। অতএব দয়া করে লিখুন: যবেহখানা যেহেতু ধামপুরে, তাই পুরোনো ধামপুরের লোকেরা কি নিজেদের কুরবানীর পশু ধামপুরে এনে ফজরের নামাযের পর কুরবানী করতে পারবে, নাকি শহরবাসীদের মতো তাদেরও ঈদের নামাযের পর কুরবানী করতে হবে?
উত্তর
গ্রামের লোকেরা (যেখানে ঈদের নামায সহীহ নয়) যদি নিজেদের পশু শহরে (যেখানে ঈদের নামায হয়) এনে কুরবানী করে, তবে ফজরের নামাযের পর ঈদের নামাযের আগে তাদের কুরবানী করার অনুমতি নেই; বরং ঈদের নামাযের পরই কুরবানী করবে। এমন স্থানে ঈদের নামাযের আগে যে কুরবানী করা হয়েছে, তার কাযা আবশ্যক (লাযিম); তার পদ্ধতি হলো, এর মূল্য সদকা করে দেওয়া।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।