পাকিস্তান থেকে প্রকাশিত পঞ্জিকা সম্পর্কে
প্রশ্ন
পাকিস্তানে ফজর ও ইশার সময় নিয়ে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, [যাতে দাবি করা হয়েছে] যে পঞ্জিকাগুলোতে ছাপা সুবহে সাদিকের সময় সঠিক নয়; রমযান শরীফে যদি সাহরীর সময় শেষ হওয়ার ঠিক পরেই ফজরের নামায পড়া হয়, তাহলে এই সময় অনুযায়ী নামায সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার আগেই পড়া হয়ে যায়। জানতে চাই, আপনার মতে এই গবেষণা সঠিক কি না? কেউ যদি সাহরীর সময় শেষ হওয়ার ঠিক পরেই ফজরের নামায পড়ে, তাহলে সেই নামায শুদ্ধ হবে কি না?
উত্তর
জ্যোতির্বিদ্যায় আমার দক্ষতা নেই। একবার মাদরাসার পক্ষ থেকে ইফতার ও সাহরীর পঞ্জিকা তৈরির দায়িত্ব আমার ওপর অর্পণ করা হয়েছিল। তাই সুবহে সাদিক, সূর্যোদয়, যাওয়াল, দুই ছায়া (মিসলাইন), সূর্যাস্ত ও শাফাক অদৃশ্য হওয়ার সময় যাচাই-অনুসন্ধানের জন্য আমি কয়েকটি পঞ্জিকা সামনে রেখেছি, দূরবীন দিয়ে দেখেছি, সূর্যঘড়ি ব্যবহার করেছি, কম্পাস ও কিবলা-নির্দেশক যন্ত্রের সাহায্য নিয়েছি—[ফলে]…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।