ইশরাকের নামায পড়লে হজ্জ ও উমরার সওয়াব কখন পাওয়া যায়?
প্রশ্ন
সূর্যোদয়ের কমপক্ষে কতক্ষণ পর ইশরাকের নামাযের সময় শুরু হয়? তা ছাড়া হাদীস শরীফে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ফজরের নামাযের পর সেই স্থানেই বসে থাকে এবং সূর্যোদয়ের পর ইশরাকের নামায পড়ে, সে একটি হজ্জ ও উমরার সওয়াব পায়। তাহলে যে ব্যক্তি বসে না থেকে পায়চারি করতে করতে নিজের ওযীফা পড়তে থাকে, অথবা ভ্রমণ ও বিনোদনের জন্য চলে যায়, তারপর ফিরে এসে ইশরাকের নামায পড়ে, সে-ও কি হাদীস অনুযায়ী সওয়াব পাবে?
উত্তর
ফজরের পর পায়চারি করা ও যিকির করতে থাকার পর ইশরাকের নামায পড়লেও অনেক সওয়াব পাওয়া যায়; তবে জামাআতের সাথে নামায আদায় করে সেই স্থানেই একই অবস্থায় বসে যিকিরে মশগুল থেকে সূর্য কিছুটা উপরে উঠলে ইশরাকের নামায পড়ার যে ফযীলত, তা [কেবল] তার নির্ধারিত শর্তসমূহ পূরণ করলেই অর্জিত হবে। সূর্যোদয়ের প্রায় পনেরো মিনিট পর সূর্যের রশ্মি এতটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, তার ওপর দৃষ্টি স্থির…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।