নামায ত্যাগকারীর ইমামতি
প্রশ্ন
আমাদের গ্রামে একজন লোক আছে, তার পেশা জবাই করা এবং কাফন-দাফনের কাজ। সে কখনো প্রতিদিনের নামায এবং দুই ঈদের নামায ও খুতবা পড়েনি, পড়ায়ওনি; এরপরও সে বলে: “ঈদের নামায পড়ানোর লোক আমিই, এটা আমারই অধিকার, এতে জামাআতের কোনো অধিকার নেই, এ আমারই স্বত্ব।” সে কালেক্টরকে (জেলা-প্রধানকে) ধোঁকা দিয়ে নিজের এই “স্বত্ব” আদায় করে এনেছে। তাই আমরা জামাআতের লোকেরা আদালতে মামলা করতে যাচ্ছি: পেশ-ইমাম কি মসজিদের পক্ষ থেকে নিযুক্ত হয়, নাকি মোল্লার পক্ষ থেকে? এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখে দিন।
উত্তর
যে ব্যক্তি প্রতিদিনের নামায নিয়মিত পড়ে না, সে ফাসেক; তাকে ইমাম বানানো মাকরূহ তাহরীমী। [ar]وكره إمامة الفاسق العالم لعدم اهتمامه بالدين، فتجب إهانته شرعًا، فلا يعظم بتقديمه للإمامة اهـ (مراقي الفلاح). كون الكراهة في الفاسق تحريمية اهـ (الطحطاوي ص ١٦٥)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।