কাকে ইমাম বানানো হবে: ছোট দাড়িওয়ালা আলেমকে, নাকি সুন্নতের অনুসারী অন্য কাউকে?
প্রশ্ন
একটি গ্রামে একজন ব্যক্তি আছেন, যাঁর দাড়ি এক মুষ্টির চেয়ে ছোট, কিন্তু তিনি কুরআন কারীম তাজবীদসহ পড়েন, মাসআলা-মাসায়েলে বিশেষ পারদর্শী, জ্ঞানী ও বিবেকবান, হালাল-হারামের সীমারেখা রক্ষা করে চলেন। অন্যদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যে তাজবীদসহ কুরআন পড়ে অথবা নামাযের মাসআলা ও অন্যান্য জরুরি মাসআলা জানে। কিন্তু তাদের দাড়ি এক মুষ্টি পরিমাণ। এ অবস্থায় কাকে ইমাম বানানো হবে? (2) যদি কোনো লম্বা দাড়িওয়ালা ব্যক্তি এই বলে জামাআতে শরীক না হয় যে, [ইমামের] দাড়ি ছোট—তার এই কাজের বিধান কী?
উত্তর
যে ব্যক্তি তাহারাত ও নামাযের জরুরি মাসআলা জানেন এবং পবিত্র কুরআন এতটুকু শুদ্ধ পড়তে পারেন যাতে নামায সহীহ হয়ে যায়—যদিও নিয়মমাফিক তাজবীদ না জানেন—এবং সাধারণ জীবনে সুন্নতের অনুসারী, তাঁকেই ইমাম বানানো হোক। আর যে ব্যক্তি অনেক মাসআলা জানেন এবং যাঁর অধ্যয়নও বিস্তৃত, কিন্তু যাঁর বাস্তব জীবন সুন্নত অনুযায়ী নয়, যিনি প্রকাশ্যে সুন্নত ও তার নিদর্শন (শিআর)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।