“শমা” পত্রিকার ধাঁধা সমাধানের পুরস্কার
প্রশ্ন
প্রশ্ন: (1) আজকাল দিল্লি থেকে “শমা” (“মোমবাতি”) পত্রিকার ধাঁধা প্রকাশিত হয়। এর শর্ত এই যে, প্রতি ফরম এক টাকা হিসেবে যত ইচ্ছা ফরম জমা দাও, আর তাতে “শমা” ধাঁধার টোকেন থাকা আবশ্যক। এরপর তোমার ভাগ্য— প্রথম পুরস্কার বা কোনো একটি পুরস্কার উঠলে এই টাকা নেওয়ার হুকুম কী— জায়েয, না নাজায়েয? (ক) যদি জায়েয হয়, তাহলে তো কথাই নেই। (খ) যেমন, টাকা আমাদের নামে উঠলে তা যত টাকাই হোক, নিয়ে কোনো অমুসলিমকে দিয়ে দিলাম— তা তার মালিকানা হয়ে গেল; এরপর সে আমাদের যত টাকা ফেরত দেবে, তা তার ইচ্ছাধীন। এই কৌশল (হীলা) কতটুকু সঠিক? (গ)
উত্তর
(1) এটি কিমার (জুয়া); এটি নেওয়া জায়েয নয়। এর দ্বারা মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয় না, এতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ (তাসাররুফ) জায়েয নয়, কাউকে দেওয়ারও অধিকার নেই; যাকে দেওয়া হবে, তার মালিকানাও প্রতিষ্ঠিত হবে না, এবং তার হস্তক্ষেপও বৈধ হবে না। যে ব্যক্তি এতটা বাধ্য যে প্রাণ বাঁচানোর জন্য তার জন্য মৃত প্রাণী খাওয়ার অনুমতি আছে, তার হুকুম ভিন্ন; প্রয়োজন পরিমাণ ব্যবহার করার জন্য সে…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।