সংগীত ও বিনোদনের যন্ত্রে কুরআন পাঠ
প্রশ্ন
কুরআনুল কারীমের বরকতময় আরবী শব্দ—যে শব্দে কুরআন নাযিল হয়েছে—যেমন: [ar]الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ[/ar] “সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি সমগ্র বিশ্বজগতের প্রতিপালক” (সূরা ফাতিহা, 1:2) — সুর তোলা হয় এমন গানের বাদ্যযন্ত্রে [বাজিয়ে] শোনা ও শোনানো জায়েয কি না? যদি নাজায়েয হয়, তবে কতটুকু নাজায়েয, হারাম হওয়ার মাত্রা কেমন, এবং যারা শোনে ও শোনায় তাদের শরীয়ত কেমন মনে করে? রেডিওতে কুরআনুল কারীমের আরবী শব্দ শোনা ও শোনানোর হুকুম কী?
উত্তর
কুরআনুল কারীমের বরকতময় আরবী শব্দ সুর ও গানের বাদ্যযন্ত্রে—যেমন সারেঙ্গী, হারমোনিয়াম ইত্যাদিতে—পড়া ও শোনা চরম অবমাননা ও অবজ্ঞা। শরীয়তে এটি কোনোভাবেই জায়েয নয়। ফকীহগণ এ ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর হুকুম দিয়েছেন। রেডিও মূলত গান ও সুরের যন্ত্র নয়; খবর বহুদূর পৌঁছানোর জন্য এটি আবিষ্কৃত হয়েছে। পরে এতে গান-বাজনাও হতে লাগল—যেমন মানুষের জিহ্বা, যা দিয়ে মানুষ গানের কাজও নেয়, অথচ সে…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।