তুলাধুনুরি সম্প্রদায়ের মেয়ের পাঠানের সাথে নিকাহ
প্রশ্ন
সুলাইমান খান পাঠান তুলাধুনুরি রশীদ আহমদের প্রাপ্তবয়স্কা মেয়ে শফীআ বেগমকে নিয়ে পালিয়ে যায়, এবং কোথাও গিয়ে শফীআ বেগমের সম্মতিতে, মা-বাবার সম্মতি ছাড়াই সুলাইমান খান নিকাহ করে নেয়। এক মাস পর রশীদ আহমদ পুলিশের মাধ্যমে মেয়েটিকে আটক করিয়ে নিজের জামিনে নিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। অনেকে বলছে, তুলাধুনুরির মেয়ের সুলাইমানের সাথে নিকাহ জায়েয হয়নি; কারণ সে ভিন্ন বংশ-গোষ্ঠীর এবং ওলী (অভিভাবক)
উত্তর
ভারতীয় বংশগুলোর ক্ষেত্রে বংশমর্যাদার দিক থেকে কুফু (সমতা) বিবেচ্য নয়; তাই এই নিকাহকে অবৈধ ঘোষণা করা বা বাতিল করানোর জন্য এই কারণ যথেষ্ট নয়। তবে যদি মেয়েটির পিতা অত্যন্ত নেককার ও সুন্নতের অনুসারী হন, আর যে পাঠান মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়েছে সে ভবঘুরে, দুশ্চরিত্র ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হয়, এবং তার এই দুশ্চরিত্র সর্বজনবিদিত হয়, আর এই নিকাহ মেয়েটির বংশের জন্য অসম্মান ও লজ্জার…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।