নিকাহ কাকে দিয়ে পড়ানো হবে?
প্রশ্ন
একজন লোক দাড়ি কাটা, রোযা-নামাযেরও পাবন্দ নয়, কিন্তু বংশানুক্রমিকভাবে নিকাহ পড়ানোর কাজ করে আসছে বলে নিজেকে নিকাহ পড়ানোর হকদার মনে করে। তাকে দিয়ে কি নিকাহ পড়ানো হবে? নাকি যে ব্যক্তি দ্বীনি আলেম, রোযা-নামাযের পাবন্দ এবং জামে মসজিদের ইমাম, তাকে দিয়ে পড়ানো উত্তম?
উত্তর
শরীয়তের দৃষ্টিতে পূর্ণ স্বাধীনতা আছে, যাকে ইচ্ছা তাকে দিয়ে নিকাহ পড়ানো যেতে পারে। নির্দিষ্ট কোনো নিকাহ-পাঠকের বাধ্যবাধকতা নেই। তাই যে ব্যক্তি দ্বীনদার এবং নিকাহের মাসআলা-মাসায়েল সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত, তাকে দিয়ে পড়ানো উচিত।
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।