ঈসালে সওয়াবের পদ্ধতি এবং মৃতকে দেখার জন্য কবর খোঁড়া
প্রশ্ন
আমার দশ বছর বয়সী ছেলে ইন্তেকাল করেছে, এতে আমি অত্যন্ত শোকাহত। মরহুমের পক্ষ থেকে কী কাজ করা হবে, যাতে তার মর্তবা বুলন্দ হয় এবং আখেরাতে সে আমাদের জন্য সঞ্চয় (যাখীরা) হয়ে যায়? ঈসালে সওয়াবের জন্য সম্মিলিতভাবে কুরআন পাঠ করা কেমন? শিশুর কবর খুলে তাকে দেখলে কিছুটা মনে শান্তি আসত, এই চিন্তায় মৃতকে দেখানো জায়েয কি না? মরহুমের কবরের পাশে উচ্চস্বরে পবিত্র কুরআন শোনালে কি কোনো ক্ষতি আছে? মরহুমের কবরে মৃত্যুর তারিখ লিখিয়ে দেওয়া ঠিক কি না?
উত্তর
দশ বছরের শিশু নিষ্পাপ, তার কোনো গুনাহ নেই; তার জন্য ঈসালে সওয়াব ও মাগফিরাতের দোয়ার প্রয়োজন নেই। তবে তার জন্য যে সওয়াবই পৌঁছানো হবে, তা তার মর্তবা বুলন্দ হওয়ার কারণ হবে। তার চেহারা দেখার জন্য কবর খোঁড়ার অনুমতি নেই — এমন করা হারাম। সবরের মধ্যে রয়েছে বিরাট প্রতিদান। মৃতের জন্য সওয়াব পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে গরীবদের খাওয়ানোও ঠিক, কাপড়-চোপড় ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিস দেওয়াও…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।