“আমরা বর্জন করি ও ত্যাগ করি তাকে, যে আপনার নাফরমানি করে” — এই বাক্যের ওপর আমল করার পদ্ধতি
প্রশ্ন
বর্তমান যুগে “নাখলাউ ওয়া নাতরুকু মান ইয়াফজুরুক” (نخلع ونترك من يفجرك — “আমরা বর্জন করি ও ত্যাগ করি তাকে, যে আপনার নাফরমানি করে”) এর ওপর কীভাবে আমল করা যেতে পারে? বৈরাগ্য (রাহবানিয়্যাত) ছাড়া অন্য কোনো পদ্ধতিও কি হতে পারে? অথচ ইসলাম তো বৈরাগ্যেরও অনুমতি দেয় না?
উত্তর
সাধ্য অনুযায়ী পাপাচারের (ফুজূর) প্রতিবাদ করলেই এর ওপর আমল হয়ে যাবে। যেমন, শিশু যদি নাপাকিতে মাখামাখি হয়ে যায়, তাহলে এ কারণে শিশুকে ছেড়ে দেওয়া হয় না, আবার নিজেকেও তার কারণে নাপাকিতে লিপ্ত করা হয় না; বরং সুকৌশলে তার নাপাকি থেকে বেঁচে থেকে তাকেও নাপাকি থেকে পরিষ্কার করা হয়। স্নেহ ও দয়ার দাবি এটাই, পবিত্রতা (তাহারাত)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।