আমেল হওয়ার পদ্ধতি
প্রশ্ন
প্রশ্ন: যায়েদ তাবীজ সম্পর্কে বকরকে বলল, “আমাকেও নকশা পূর্ণ করা (লেখা) শিখিয়ে দাও।” বকর বলল, “শিখে নাও, তবে এর জন্য একটি শর্ত আছে। আমেল হতে হলে আল্লাহর এক হাজার নকশা পূর্ণ করো; সেদিনই রোযা রাখো, ময়দা মেখে নকশাগুলোর ওপর জড়িয়ে দাও। যতক্ষণ এই নকশাগুলো পূর্ণ করবে, এর মাঝে কারো সাথে কথা বলবে না এবং উঠবে না—শুধু নামাযের অনুমতি আছে। নকশা পূর্ণ করা শেষ হলে কিছু মিষ্টি নাও এবং নিজের ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ো; পথে কারো সাথে কথা বলবে না, এমনকি সালামের জবাবও দেবে না। নদীর কাছে গিয়ে নিজের পীরের কল্পনা করবে—যেন আমি পীরের কাছে…
উত্তর
এই আমলে একটি বিষয় ভেবে দেখার মতো: নদীর দিকে যাওয়ার সময় কারো সালামের জবাব দিতেও নিষেধ করা হয়েছে, অথচ শরীয়তে তা জরুরি—তবে যদি মানুষ যিকির, তিলাওয়াত ইত্যাদিতে ব্যস্ত থাকে, তাহলে ভিন্ন কথা। দ্বিতীয় বিষয়: নদীতে পৌঁছে এই কল্পনা করা যে পীর আমার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন, অথবা আমি পীরের কাছে দাঁড়িয়ে আছি, এবং তাঁকে সালাম দেওয়া—এটিও কাল্পনিক ছবিকে সালাম দেওয়া, যা শরীয়তে প্রমাণিত…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।