শ্যালিকার সঙ্গে হাসি-তামাশা
প্রশ্ন
যায়েদ ও আমর, ধরা যাক, ভায়রা ভাই (দুই বোনের স্বামী); উল্লিখিত যায়েদ তার শ্যালিকার সঙ্গে অশালীন হাসি-তামাশা করে এবং স্পষ্টতই সহবাসের প্রতি আহ্বানকারী (দাওয়ায়ীয়ে জিমা) কাজে লিপ্ত হয়। এ কারণেই আমর যায়েদের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। তাহলে যায়েদের এই কাজ কি শরীয়তে জায়েয, আর আমরের এভাবে যায়েদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করাও কি জায়েয, নাকি নয়? তাছাড়া এই দুজনই ইমাম; অতএব তাদের উভয়ের পেছনে নামায জায়েয কি না, নাকি জালেম ও মাযলূমের (অত্যাচারী ও অত্যাচারিত) মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে?
উত্তর
এই পদ্ধতি শরীয়তবিরোধী ও নাজায়েয। শ্যালিকার জন্য পর্দা করা আবশ্যক; তার সঙ্গে নির্জনে থাকা হারাম। যায়েদ উপদেশ দেওয়ার পরও যদি নিজের এই আচরণ থেকে বিরত না হয় এবং তার ফিতনা থেকে রক্ষা পেতে আমর তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ও এভাবে নিজের স্ত্রীকে হেফাযত করে, তবে সে অত্যন্ত ভালো করেছে; তার এমনই করা উচিত। এমন করায় আমরের ইমামতে কোনো ত্রুটি হয় না। যায়েদ অবশ্য অপরাধী; তার জন্য তওবা…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।