নিরুপায় (মুযতার) ব্যক্তির জন্য শূকরের গোশত খাওয়া
প্রশ্ন
প্রশ্ন: চরম প্রয়োজনের অবস্থায় (ইযতিরার) কেউ যদি জোর করে শূকরের গোশত খাইয়ে দেয় এই বলে যে, “না খেলে তোমাকে হত্যা করা হবে”—তাহলে এমন ক্ষেত্রে কি মুসলমান রুখসত (ছাড়) অনুযায়ী আমল করতে পারে? রুখসতের ওপর আমল করা উত্তম, নাকি আযীমতের (দৃঢ়সংকল্পের) ওপর? আর এই আয়াতের অর্থ কী: [ar]إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ ٱلْمَيْتَةَ[/ar] “তিনি তোমাদের ওপর কেবল মৃত প্রাণী হারাম করেছেন…” (সূরা বাকারা, 2:173)? আর “শুয়োর” শব্দটি বললে কি ঈমান চলে যায়?
উত্তর
এই দুঃখজনক অবস্থা কম জ্ঞান, কম বোধ ও দ্বীনের সঙ্গে সম্পর্কহীনতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে। এই শব্দটি বললে কখনোই ঈমান নষ্ট হয় না, রিযিকও বন্ধ হবে না; তবে তা খাওয়া হারাম। হ্যাঁ, কেউ যদি নিরুপায় (মুযতার) হয়—তার কাছে খাওয়ার মতো আর কিছু নেই এবং এটা না খেলে প্রাণ বাঁচে না—তাহলে প্রাণ বাঁচানোর জন্য ততটুকু পরিমাণের অনুমতি আছে, আর এই অনুমতি পবিত্র কুরআন দ্বারা প্রমাণিত: [ar]قُل لَّآ…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।