মাগরিব থেকে ভোর পর্যন্ত: দারুল হাদীসে “বুখারী” এবং যে পায়ের শব্দ কেউ শোনেনি
উত্তর
মাগরিব এবং এশা পর্যন্ত সময়। আযান শুরু হতো—মজলিস ভেঙে যেত এবং সবাই মসজিদে চলে যেত; হযরতওয়ালা সাধারণত প্রথম কাতারে গিয়ে বসতেন। জামাআতে নামায আদায়ের পর তিনি ছয় রাকাত আউয়াবীন পড়তেন, তাতে অন্তত এক পারা তিলাওয়াত করতেন। নামায শেষ করে তিনি কামরায় আসতেন এবং চিঠির জবাব লিখতেন; প্রয়োজনমতো কিতাব অধ্যয়নও চলত। আলমারি থেকে কিতাব আনার প্রয়োজন হলে হযরত নিজেই উঠে কিতাব বের করে…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।