দস্তরখানের টুকরো আর কুঁজোর ওপর মিসওয়াক: দুপুর এবং আসরের পরের মজলিসের আগের সময়
উত্তর
দুপুরের খাবার। বারোটা কি সাড়ে বারোটার কাছাকাছি সময়ে দরস শেষ হতো; দুপুরের খাবারের জন্য দস্তরখান বিছানো হতো। হযরত উপস্থিত সবাইকে বলতেন, “কিবলা বদলে গেছে,” এবং দস্তরখানে এসে বসতেন; মেহমানরাও দস্তরখানে শরীক হতেন। হযরতওয়ালা সবার দিকে অবিরাম নজর রাখতেন: কোথায় রুটি দরকার, কোথায় তরকারি শেষ হয়ে গেছে। খাদেমকে বলতেন, ওখানে রুটি রাখো, ওখানে তরকারি আনো; ওই লোকটির হাত পৌঁছাচ্ছে না,…
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।