হিন্দুস্তানের জমিতে উশরের হুকুম
প্রশ্ন
হিন্দুস্তানের জমি উশরী কি না, তা নিয়ে গবেষণা করে জানান। আলেমগণ এই মাসআলাকে এমন জটিল করে ফেলেছেন যে, এর কোনো দিকই স্পষ্ট দেখা যায় না। শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ কী করবে—উশর বের করবে কি না? জমির রাজস্ব ও পানির কর, যা সরকার জনগণের ওপর আরোপ করেছে, তা কি উশরের ফসল থেকে দেওয়া যাবে, নাকি যাবে না? আম, পেয়ারা, কলা, লেবু, শাকসবজি ও তরিতরকারিতে উশর আছে কি না, এবং তা দেওয়ার পদ্ধতি কী হবে?
উত্তর
আলেমগণ তো অনেক কিছুই সহজ করে দিয়েছেন। আজ নয়, কয়েকশ বছর আগে শায়খ জালালুদ্দীন থানেশ্বরী ﵀, যিনি হযরত শায়খ আব্দুল কুদ্দূস ﵀-এর বিশেষ খলীফা ছিলেন, নিজের সময়ে এই মাসআলার ওপর একটি স্বতন্ত্র রিসালা রচনা করেছেন, যার নাম “আরাযিয়ে হিন্দ (হিন্দুস্তানের জমি)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।