বায়তুল মাল
প্রশ্ন
বর্তমান যুগে মুসলমানদের অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক এবং দিন দিন অবনতি ঘটছে। তাহলে এমন সময়ে কি একটি বায়তুল মাল (সার্বজনীন কোষাগার) প্রতিষ্ঠা করা হবে, যার মাধ্যমে গরিব মুসলমানদের অবস্থার উন্নতি করা যায়? ইসলামে তো বায়তুল মালের অনুমতি আছে, যেমন হযরত উমর ফারূক ﵁-এর যুগে বায়তুল মাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। শরীয়তের দৃষ্টিতে বায়তুল মালের সংজ্ঞা কী? এর নীতিমালা কেমন হওয়া উচিত? কী ধরনের সম্পদ এতে জমা হতে পারে? যাকাত ইত্যাদি [জমা করার] অনুমতি আছে কি, যাতে তা গরিব মুসলমানদের জন্য খরচ করা যায়?
উত্তর
আমীরুল মুমিনীন, খলীফায়ে রাশেদ হযরত উমর ফারূক ﵁-এর সময়ে যে বায়তুল মাল ছিল, তার শর্তাবলি এখানে বর্তমানে বিদ্যমান নেই। তবে মুসলমানদের বর্তমান সমস্যাগুলো দূর করার জন্য ঐক্য ও সম্মতির ভিত্তিতে একটি সম্মিলিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে, এবং তা করা উচিত। এর নজির বহু জায়গায় প্রতিষ্ঠিত আছে; নিকটতম স্থান দেওবন্দ — সেখানেও “মুসলিম ফান্ড” (মুসলমানদের সুদমুক্ত ঋণ তহবিল)
সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া
সারসংক্ষেপ। জাভাস্ক্রিপ্ট চালু থাকলে পূর্ণ লেখা খোলে।